১০ই আগস্ট, ২০২০ ইং, সোমবার

গল্পটি এক্সিলেন্স বাংলাদেশের

আপডেট: জুলাই ১, ২০২০

| ফিচার-মতামত

এক্সিলেন্স বাংলাদেশ নামটার সাথে তারুন্যের একটা ভাব রয়েছে।তারুণ্য নির্ভর এই সংগঠনটির পথযাত্রার শুরুটা বেশি দিন হয় নি। ২০১৮ এর মে মাসে,তাদের প্রথম ইভেন্ট ছিলো-‘ How to make you excellent’।আর প্রথম ইভেন্টেই তারা ব্যাপক সাড়া পেয়েছিল।

এক্সিলেন্স বাংলাদেশের সফলতা তখনই হয় যখন তারুণ্যকে নিয়ে তারা ভালো কোনো দিকে যেতে পারে।

প্রথম ইভেন্টের পর ২য় ইভেন্টিতেও বেশ সারা পেয়েছিল তারা। ২০১৯ সালের ২৬শে এপ্রিল তারা আয়োজন করে, Akhter presents career in Marketing, Organised by Excellence Bangladesh।’ সেখানে উপস্থিত ছিলো দেশের সনামধন্য মার্কেটিং জব সেক্টরের বড় বড় কর্মকর্তাগণ।

সেখানে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির এক ঝাঁক স্বপ্নবাজ শিক্ষার্থীরা। এরপর IUBAT ইউনিভার্সিটিতে বেশ বড় ভাবে জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে আয়োজন করে জব ফেয়ারের।

তাদের সেই অনুষ্ঠানে দেশের সুনামধন্য ৭১ টি কোম্পানি জব স্টল দিয়েছিল। সেখানেই কর্মসংস্থান হয়েছিল প্রায় অনেক বেকার তরুন-তরুনীর। সেটিও চমৎকারভাবে শেষ করল তারা। এগুলোতো ছিল তাদের সব মাঠ পর্যায়ের আয়োজন।

কিন্তু এই করোনাভাইরাস (কোভিট-১৯) এর পরিস্থিতিতে কালে কি তাহলে এক্সিলেন্স বাংলাদেশ কিছু করছে না?

সবচেয়ে অবাক হওয়ার বিষয় এখানেই যে, এই সময়েও এক্সিলেন্স বাংলাদেশ অনলাইন পোর্টালে তাদের কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করে ফেলেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত (গত ৩ রা মে, ২০২০ইং) অনলাইনে আয়োজন করে ছিল “Kormo presents online job Hunt” Organized by Excellence Bangladesh একটি জব ইভেন্ট।

সেখানে ১৭ টি কোম্পানি একযোগে তাদের কোম্পানির জন্য কর্মী নেওয়ার জন্যপোর্টাল খুলে দেয়। সেই সাথে লাইভে ছিল বিভিন্ন বড় বড় সুনামধন্য কোম্পানির কর্মকর্তাগণ। অংশগ্রহণ করে ছিল বাংলাদেশের সকল ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা। সেই ইভেন্টের সফলতা কোথায় ছিলো জানেন?

যখন জানা গেলো, Online job Hunt এর মাধ্যমে ৫১ জনের কর্মসংস্থান হয়। যেখানে কি না সবাই এই বর্তমান পরিস্থিতিতে চাকরি হারাচ্ছে সেখানে এক্সলেন্স বাংলাদেশ চাকরির পথ খুঁজে দিচ্ছে।এটা একটা প্রসংশনীয় বিষয়।

এর পরপরই আরও একটি সফল হয়েছিল ১৫ ও ১৬ জুন, ২০২০ইং । এই দু’দিন সারাদিন ব্যাপী তারা অনলাইনে আয়োজন করল ‘Kormo presents HR Meetup organized by Excellence Bangladesh’ সেখানে উপস্থিত ছিল বিভিন্ন কোম্পানির HR এর বড় বড় কর্মকর্তাগণ।
HR কি ধরনের কর্মী চায়?
নিজেকে কিভাবে জব সেক্টরের জন্য গড়ে তুলব?
সিভি কিভাবে তৈরি করতে হবে?
কি কি স্কিল ডেভেলপ করতে হবে?
– এগুলো জানানোই ছিলো সেই ইভেন্টের মূখ্য বিষয়।

ঠিক এভাবেই তরুনদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এক্সিলেন্স বাংলাদেশ। শুধু যে হঠাৎ হঠাৎ কোনো ইভেন্ট আয়োজন করে তা নয়। প্রতিনিয়ত স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য কাজ করে যাচ্ছে তারা। এর পাশাপাশি স্টুডেন্টদের সাথে কর্পোরেটদের একটা যোগাযোগ তৈরী করে দিচ্ছে এক্সিলেন্স বাংলাদেশ। যাতে করে পড়াশোনার পাশাপাশি তরুণ তরুণীরা জব সেক্টরটা কে বুঝতে পারে, সেখানকার পরিবেশ সম্পর্কে জানতে পারে, কেমন স্কিলড পারসন চায় কোম্পানি তাও জানতে পারে এবং নিজেদের সেভাবেই গড়ে তুলছে তারা। তাদের লক্ষ্য এটি ‘তরুণ বা তারুণ্য কে নিয়ে সব কিছুতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’

আজ যেই অবস্থানে আছে তারা, একদিন এটিকে দেশ ছাড়িয়ে যাবে। এক্সিলেন্স বাংলাদেশ কাজে বিশ্বাস করে। এরা কাজ করে পজিটিভ মানুষদের নিয়ে। আর এই পজিটিভিটিই এক্সিলেন্স বাংলাদেশ কে নিয়ে যাবে সাফল্যের শীর্ষ স্থানে।

যেখানে শুধুই থাকবে ” এক্সিলেন্স বাংলাদেশ ” এর সফলতার কথা।

লেখাঃ কামরুন নাহার,
ক্যাম্পাস এম্বাসেডর অফ এক্সলেন্স বাংলাদেশ।