১৫ই জুলাই, ২০২০ ইং, বুধবার

জীবিকা, গোধূলি ও নদী

আপডেট: জুন ১১, ২০২০

| ফিচার-মতামত

“এখানে এ জলের পাশে বসবে কি? তিস্তা এ নদীর নাম;”

আবহমান বাংলার বৈচিত্র্যের একটি অসাধারণ দৃশ্য হলো নদীর পাড়ে গোধূলির আলোমাখা সময়ে কৃষক কৃষাণীর জীবিকার শেষে ঘরে ফেরা।গোধূলি এমন একটি সময় যেখানে থাকে দিবস ও রাত্রির সন্ধিক্ষণ।চলমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বহিঃপ্রকাশ।

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা লালমনিরহাট যা তিস্তা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে আছে।এ নদীকে কেন্দ্র করে এ জেলার অনেক মানুষের জীবিকা। কেউ বা নদীতে মাছ শিকার করে আবার কেউবা নদীর পানি ছেকে ফসল ফলায়।

কৃষক কৃষাণীরা বা জেলেরা সকালে বেরিয়ে পরে জীবিকার খোঁজে সারাদিন হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পরে হাসি মুখে বাড়ি ফেরে গোধূলির সময়ে।এজন্যই মনে হয় রূপসী বাংলার কবি বলেছিলেন ” বাংলার মুখ আমি দেখেছি তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুজিতে যেতে চাই না”।

প্রতিটি গ্রাম বাংলার নদীর তীরে প্রতিদিন তৈরী হচ্ছে হাজারো জীবিকা গোধূলি ও নদীর গল্প।যেখানে মিশে থাকতেছে দুঃখ বেদনা হাসি কান্না।

ভালো থাকুক বাংলার প্রতিটি নদীও নদীকে কেন্দ্র করে জীবন ধারণ করা মানুষ গুলো।

ছবি: রেজোয়ান হোসেন
শিক্ষার্থী: মরিওকা ইনফরমেশন বিজনেস কলেজ, জাপান
ডিভাইস : Redmi 4এক্স

লেখকঃ সৌমিক।
শিক্ষার্থী, জাবি।