১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

ডিআইইউতে Digital Bangladesh in the Era of Industry 4.0 শীর্ষক অনলাইন ওয়েবিনার

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২০

| পিবিএন ডেস্ক

মাহমুদুল হাসান, ডিআইইউ প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাস পরবর্তী পৃথিবী এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের নানা সম্ভাবনা নিয়ে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) আয়োজন করতে যাচ্ছে – Webinar on “Digital Bangladesh in the Era of Industry 4.0” শীর্ষক অনলাইন মতবিনিময় অনুষ্ঠান৷

আগামী ১৭ ই সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সিএসই বিভাগের আয়োজনে ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত থাকবেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোস্তফা জব্বার।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত হবেন-
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিওইউ) উপাচার্য
অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. কে এম মহসিন এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

এছাড়াও আলোচকদের মধ্যে আরও সংযুক্ত থাকবেন- বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস) সভাপতি অধ্যাপক ড. হাফিজ মোঃ হাসান বাবু। আমাজান ওয়েব সার্ভিসের পরিচালক এবং ক্লাউডক্যাম্প বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মোহম্মদ মাহদী উজ-জামান এবং কানাডা ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়’র স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভিজিটিং সহকারী অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম।

অনলাইন এ অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির ডিন অধ্যাপক ড. এ টি এম মাহবুবুর রহমান এবং সেশন মডারেটর হিসেবে থাকবেন ডিআইইউ এর সিএসই ডিপার্টমেন্ট এর সহকারী অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস) এর মনোনীত কাউন্সিলর সম্রাট কুমার দেব। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় কাজ করবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি(ডিআইইউ) এর কম্পিউটার এন্ড প্রোগ্রামিং ক্লাব, ডিআইইউ-সিপিসি।

এ সম্পর্কে ওয়েবিনার আয়োজক কমিটির সমন্বয়ক ড. এটিএম মাহবুবুর রহমান বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব হিসেবে ডিজিটালাইজেশন আমাদের কাজের সব ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে বিশাল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে, তবে এই পরিবর্তনকে আমি সূচনা হিসেবে দেখি। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রধান প্রধান যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বাংলাদেশ এবং টেকসই মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান তৈরি ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব সূচিত হতে যাচ্ছে ফিউশন অব টেকনোলজিস তথা প্রযুক্তিগুলোর সংমিশ্রণের মাধ্যমে। আর এসব প্রযুক্তি হবে ফিজিক্যাল, ডিজিটাল ও বায়োলজিক্যাল জগতের। এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে সাইবার-ফিজিক্যাল সিস্টেমস ও ক্লাউড কমপিওটিং নিয়ে ।

ড. মাহবুবুর রহমান আরও জানান, মোটামুটিভাবে ‘সাইবার-ফিজিক্যাল সিস্টেমস’কেই বলা হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সূচনাকারী হিসেবে। সাইবার-ফিজিক্যাল সিস্টেমকেন্দ্রিক এই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবকে অভিহিত করা হচ্ছে বিভিন্ন নামে- Industry 4.0, or the fourth industrial revolution। আর বলা যায়, এটি অটোমেশন ও ম্যানুফ্যাকচারিং টেকনোলজির বর্তমান প্রবণতা।

আমরা এক প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। স্মার্টফোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পরিবর্তন, ইন্টারনেট অব থিংস, যন্ত্রপাতি পরিচালনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ, রোবোটিকস, জৈবপ্রযুক্তি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মতো বিষয়গুলো চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সূচনা করেছে।