ঢাকা, ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
shodagor.com

নামের মিল থাকায় ১৭ মাস ধরে কারাগারে হাসিনা

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, মে ৪, ২০২১ ১:৩৯ অপরাহ্ণ  

| পিবিএন ডেস্ক

নামের একাংশ ও স্বামীর নাম মিল থাকায় প্রায় ১৭ মাস ধরে চট্টগ্রামের কারাগারে আছেন হাসিনা বেগম নামে এক নারী। অবশেষে তাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৪ মে) দুপুরে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শরীফুল আলম ভূইয়ার ভার্চুয়াল আদালত থেকে এই আদেশ দেওয়া হয়।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হাসিনা বেগমের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ। এই মামলার প্রকৃত আসামি হাসিনা আক্তার (৩০) পলাতক রয়েছে বলেও জানান তিনি।

shodagor.com

অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ জানান, নামের আংশিক মিলে দীর্ঘ প্রায় এক বছর পাঁচ মাস হাসিনা আক্তারের সাজা ভোগ করেছেন হাসিনা বেগম। হাসিনা বেগম বর্তমানে কারাগারে বেশ অসুস্থ। তিনি জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। বিষয়টি আমি নজরে আনার পর আদালত টেকনাফ থানা ও কারা কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে তাকে মুক্তির আদেশ দিয়েছেন। যাদের ভুলে তিনি এই অন্যায় সাজা ভোগ করেছেন আমি তাদের শাস্তির জন্যও আদালতে আবেদন করবো।

আদালতের নথি থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জারটেক পুলিশ চেকপোস্ট এলাকা থেকে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ হাসিনা আক্তার ও তার স্বামী হামিদ হোসেনকে আটক করে। পরে এই ঘটনায় কর্ণফুলী থানার তৎকালীন এসআই সালাউদ্দিন জাহেদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা ২৮(২)১৭, জি.আর মামলা নম্বর ৫৭/১৭ ও দায়রা মামলা ৩৬৩৭/১২ দায়ের করা হয়।

ওই মামলায় ৯ মাস জেল খাটার পর একই বছরের ২৭ নভেম্বর উচ্চ আদালতের আদেশে কারাগার থেকে ছাড়া পান। ২০১৯ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রাম অতিরিক্ত মহানগর ৫ম আদালতের বিচারক জান্নাতুল ফেরদাউস চৌধুরী ওই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

সাজা হওয়ার পর ২০১৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর হাছিনা বেগমকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় টেকনাফ থানা পুলিশ। এরপর থেকে তিনি চট্টগ্রাম কারাগারে রয়েছেন। সম্প্রতি বিষয়টি আদালতের নজরে নিয়ে আসার পর, এ বিষয়ে টেকনাফ থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে টেকনাফ থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) খোরশেদ আলম বলেন, বর্তমানে কারাগারে থাকা হাসিনা বেগম ও আগে গ্রেফতার হওয়া হাসিনা আক্তার এক নয়। তবে হাসিবা বেগমের স্বামী পলাতক থাকায় পুরোপুরি তদন্ত করা সম্ভব হয়নি। হাসিনা আক্তার নামে কেউ নেই ওই এলাকায়।

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস ও মতামত কলামে লিখতে পারেন আপনিও – pbn.news24@gmail.com ইমেইল করুন  

সর্বশেষ

জনপ্রিয় সংবাদ