১৬ই আগস্ট, ২০২০ ইং, রবিবার

পাবনার ঈশ্বরদীতে অনুমোদনহীন করোনা পরীক্ষা

আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২০

| পিবিএন রিপোর্ট

ফাহিম পাবনা জেলা প্রতিনিধিঃ
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রুপপুরে অবস্থিত মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন না থাকার পরেও করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের অনুমতি দেয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

পাবনার সিভিল সার্জন অফিসের বা ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কে না জানিয়ে স্থানীয় মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার নমুনা সংগ্রহ করেছে তার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে অবাক করা তথ্য।

গত ১৭ই জুন কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মোঃ শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে পাবনার রূপপুরের মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে অনুমোদন দেওয়া হয়।

সরকারি অনুমোদন না নিয়ে নমুনা পরীক্ষা করার অভিযোগে মেডিকেয়ার এর মালিক আবদুল ওহাব রানাকে আটক করার পরে এসব তথ্য বেরিয়ে আসে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাক্তার আবু সাঈদ ও রানার সহযোগী সুজন আহমেদের বিরুদ্ধে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় মামলা হয়।

মামলার বাদী ঈশ্বরদী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)মোঃ ফিরোজ হোসেন মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন,রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত ৫০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে সবগুলো রিপোর্ট টাকার বিনিময়ে নেগেটিভ করে দিত। করোনার নমুনা পরীক্ষা করাতে জনপ্রতি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা নেন মেডিকেয়ার এর মালিক আবদুল ওহাব এদিকে আব্দুল ওহাব রানাকে গ্রেপ্তার করা হলেও ডাক্তার আবু সাঈদ আহমেদ ও রানার সহযোগী সুজন আহমেদ কে এখন ও গ্রেপ্তার করা যায় নি। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আসমা খান বলেন, পাবনা ও ঈশ্বরদী উপজেলাতে যেখানে নমুনা সংগ্রহ করার কীট বা অ্যাম্পুলের তীব্র সংকট সেখানে অনুমোদনহীন মেডিকেয়ার কিভাবে নমুনা পড়িক্ষা করে করোনা রিপোর্ট দেয় তা সন্ধেহজনক।

ঈশ্বরদী থানার ওসি জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের শ্রমিক ও কর্পমচারীদের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট দেওয়া বাধ্যতামূলক। এই সুযোগে রূপপুর মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিকের সেন্টারের মালিক আব্দুল ওহাব রানা অবৈধ টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন।তবে পুলিশ এ ব্যাপারে খুব সচেতন।

আমরা অতি তাড়াতাড়ি বাকি হোতাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব। এই করোনা মহামারী নিয়ে যারা অবৈধ কাজ করবেন তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।